পোস্টগুলি

গীতাসার- কবিতা- সকলে গীতা পড়েন। অনেকে সময়াভাবে পড়তে পারেন না। এই কবিতায় গীতার সার সংক্ষেপ জানতে পারবেন।

ছবি
  গীতাসার  \ হে মহাগুরুকুল শ্রেষ্ঠ গীতা রচয়িতা   ধরণীতে দিলে সত্য-,নীতি-,মনস্তত্ব কথা ৷ দীর্ঘ সময় আগে উৎঘাটন করলে যে সত্য বিজ্ঞান আজ সেই সত্যে হচ্ছে উপনীত ৷ হতাশাগ্রস্ত হয়ে যবে অর্জুন অস্ত্র ত্যাগিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাকে যুদ্ধের উপদেশ দেন ৷ হাজার হাজার বছর পরেও উহা যথার্থই রয় এই উপদেশ যদি জীবনে প্রয়োগ করা হয় ৷     দুঃশ্চিন্তা যাবে দুরে, মন হবে ঈশ্বর বিশ্বাসী আত্মা জম্ম রহিত, নিত্য, সনাতন, অবিনশী ৷ কণার ভিতর যে তরঙ্গ,পরমাত্মা বলে তারে     বিজ্ঞানের কণাতত্ব আজ এই প্রমান করে। অবিনাশী তরঙ্গ শক্তি দ্বারা সৃষ্টি এ জগতের এ শক্তির উৎপত্তি নেই, সম্ভাবনাতীত বিনাশের ৷ মনে থাকে লোভ, দর্প, কামনা, ক্রোধ অহঙ্কার মনকে বসে আনা তাই অতীব দুরূহ ব্যাপার৷ একাগ্র অভ্যাস যোগে মনকেও বস করা যায় সমাজ সুন্দর হয়, যদি মন স্থির ও একাগ্র হয় ৷ একাগ্র মনে দুঃচিন্তা ও ভয়কে করা যাবে জয় প্রশান্তি ফিরবে মনে, জীবন হবে পরমানন্দময়৷ নিয়তই করা চাই কর্তব্য কর্ম, অলসতা ত্যাগী ফলাকাঙ্খা ত্যাগ করলে তিনিই হবেন যোগী ৷ সুখদুঃখ, মানাপোমান, শত্রুমিত্র সকলই সমান...

"এসো ঈশ্বর" কবিতা- রাজনৈতিক হিংসা কতটা ভয়াবহ এই কবিতায় জানতে পারবেন।

ছবি
  এসো ঈশ্বর মোরা দুই ভাই এক সাথে রই    কুঁড়ে ঘরে মাত্র দুটি ঘর খুব ভোরে উঠি জনমজুর খাটি ঘরে ফি রি সন্ধ্যের পর দিন চলে যায় দুঃখ কষ্টে হায় অ পকর্মে কভু না থাকি একদা প্রভাতে গ্রাম্য নেতা এসে বলে “শুনো হে দাশরথি তোমাদের তরে বহু ভেবে ওরে একটি সি দ্ধা ন্ত হয়েছে এতে লাভ তোর করবি না শোর তবে একটি শর্ত আছে পাবি আড়াই লাখ বাজাও না ঢাক আমি ব্যবস্থা সব করব ব্যাঙ্কে জমা হবে তোরা কুড়ি পাবে বা কি টাই আমি নেব ” শুনি তার কথা মনে পাই ব্যথা বলি “হুজুর এ কেমন কথা কেন্দ্র দেবে টাকা আমি রব ফাঁকা আপনি তুলবেন ভাতা এ দশ বছরে নিয়েছেন ভরে কোটি কোটি    টাকা কড়ি ঘরে ছিলেন গ রি র হলেন আমীর তবু লোভ না দেখি মরে এ বড় অন্যায় আমি অসহায়   তবু অসৎ কর্ম না হবে ” শুনি এই কথা মনে পা য় ব্যথা বলে “ঠিক আছে দেখা যাবে ” মাস তিন পরে সাঁঝে ঘরে ফিরে খাওয়া দেওয়া শেষ হলে ঘরে শিশু দুই মহিলাও তাই বিছানায় যাই সবে চলে গভীর রাতেতে ঘুম ভেঙ্গে যেতে দেখি লেলিহান অগ্নিশিখা মাটির দেওয়াল খড় দিয়ে চাল ধোঁয়ায় কিছু না যায় দেখা শুনি শিশু কান্না কি করি অজানা চোখে দেখি সরষে ফুল ঘরের কপাট  ...

পাখি- করুণাকর প্রধানের বই “চিত্র কবিতা” বাংলা সাহিত্যে ভিজ্যুয়াল পোয়েট্রির একটি অনন্য প্রয়াস হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে, যেখানে কবিতার লাইন দিয়ে ছবি তৈরি করা হয়।

ছবি
  বৈশিষ্ট্য: কবিতার লাইন ও শব্দকে এমনভাবে সাজানো হয় যাতে তা দৃশ্যমান আকার নেয়। পাঠক শুধু পড়েন না, চোখে দেখেন—কবিতা হয়ে ওঠে এক ধরনের চিত্র। আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক ভাব প্রকাশে বিশেষ কার্যকর। বৈশিষ্ট্য: কবিতার লাইন ও শব্দকে এমনভাবে সাজানো হয় যাতে তা দৃশ্যমান আকার নেয়। পাঠক শুধু পড়েন না, চোখে দেখেন—কবিতা হয়ে ওঠে এক ধরনের চিত্র। আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক ভাব প্রকাশে বিশেষ কার্যকর। করুণাকর প্রধানের চিত্রকবিতা বাংলা সাহিত্যে ভিজ্যুয়াল কবিতার ধারাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

হতাশার মুক্তি- কবিতা- বর্তমান হতাশার যুগ। অনেকে নিরাশার কবলে বিপর্যস্তা তাঁদের জন্য এই কবিত।

ছবি
                  হতাশার মুক্তি শ্রীকৃষ্ণ দেখেন পার্থকে রথপরে বিষাদগ্রস্ত   উপদেশ ছলে বলেন যে নিগুঢ় কথা অমৃত   যুগে যুগে সে বাণী মানব জীবনের সঞ্জীবনী গীতা নামে সে দর্শন আলো করে ভারতভূমি ঐ যুগে হতাশার ছিল না কোনো প্রতিষেধক কাউন্সিলিং এখনো এই রোগে প্রয়োগ সার্থক বর্তমান শরীরধারী যত জীব পৃথিবীতে থাকে তারা কিন্তু কেহই  ছিলেন না এই ধরিত্রীতে যাঁরা বর্তমান,কিছুকাল মধ্যে যাবে যমালয়ে প্রত্যেক জীব জীবিত থাকে নির্ধারিত কালে জন্মিলে মরতে হবে, মৃত্যুই অমোঘ বিধান ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি ও ধ্বংস অলঙ্ঘ সংবিধান জন্ম মৃত্যু সুখদুঃখ ধরায় এলে ভুগতে হবে কর্মবন্ধনের ফলভোগ হেথা সকলেই পাবে অনিত্য এ পৃথিবীতে চিরকাল রহে না সমান জ্ঞানীব্যক্তি এই পরিবর্ত্তনে হন না মুহ্যমান ঈশ্বর সর্বত্র, শরীরে ও বাহিরে কণায় প্রকাশ অতি সূক্ষ্ম চেতনকণার নাই উৎপত্তি বিনাশ শরীরের মধ্যে এ কণাই আত্মা নাম ধরে রয় আত্মা থাকে শক্তি রূপে এবং শাশ্বত অক্ষয় এ শক্তি অচ্ছেদ্য অদাহ্য অশোষ্য ও সনাতন এক পদার্থ থ...

চৌকিদার- কবিতা- বিবেক চৌকিদারের মতো আমাদের সদাই সতর্ক করে চলে। কেউ তার কথা শোনে আবার কেউ অবজ্ঞা করে

ছবি
  চৌকিদার রাতে চৌকিদার ডাকে গভীর রাতে সকলকে বলে সজাগ থাকতে। হারিয়ে যেয়ো না দুস্বপ্নের তলে, না জাগলে সব যাবে গোলে।   চারিদিক অন্ধকার, নিশুতি রাত, নিশাচরদের চারদিকে উৎপাত, মৃত্যুদূতের নৃত্য,জ্লন্ত অভিশাপ গোপনে পাতে শিকারের ফাঁদ।   সকলে গভীর ঘুমে অচেতন, ডাক শোনে না- নয় সচতেন; কেউ কেউ যদিও জেগেই আছে, ভয়েতে যেন মৃতদেহ হয়ে গিছে।   ভয়ে কেউ বেরোয় না বাইরে. সবার মনে--হায় রে. হায় রে; যদি বিবেকের আলো চুরি যায়, বিবেকটাও সবাই লুকোতে চায়।   রাত গভীর হলে,শব্দ কাঁপে রক্তে. নিশাচরেরা উন্মত্ত হয় ভয়াবহ নৃত্যে। স্বপ্নতে ধীরে নামে জ্বলন্ত বিভীষিকা, অন্ধকারের দানবরা পরে বিজয়টিকা।   তবুও এ ডাক নিশীথ স্তব্ধতা ভাঙে, বিবেকের প্রদীপ যেন থাকে জেগে।, ঘুমের স্বপ্নও পরাজয়ে মুখ লুকাবে, শপথ নিয়ে নতুনকে বাঁচাতে হবে।।

হলুদ পাখি- কবিতা- কবিতার লাইল দিয়ে ছবি তৈরি- বাংলা সাহিত্যে প্রথম সূচনা।

ছবি
                                                                                                                                পাখি                                                                                                            ...

মঙ্গল ঘট- কবিতা- কবিতার লাইন দিয়ে ছবি আঁকা যায় এই কবিতাই উদাহরণ।

ছবি
                                                              ঔঁ      মঙ্গলঘট        ঔঁ ওগো ভগবান করুণানিধান তোমারে আমি করি সন্ধান আছ হৃদয় মাঝারে আছ অণুর অন্দরে পাহাড়-পর্বত-সাগর-গভীরে রবি-চন্দ্র-তারা-ছায়াপথ, ব্রহ্মান্ড পরে সর্বত্র যদিও থাক নিজেকে লুকিয়ে রাখ কি যে মায়া জান তুমি সদাই গোপনে থাক নয়ন সম্মুখে রয়েছ তুমি দেখিতে পাই না আমি দয়াময় হরি, দিব্য চক্ষু দাও, তোমায় বন্দনা করি স্বামী দুনয়নে যেন তোমায় দেখতে পাই, মনস্কাম পূর্ণ করি হে দীনবন্ধু, তোমার কিরণে প্রজ্জ্বলিত দিনমণি সবখানেই উপস্থিতি, তুমিতো শক্তির খনি ওগো দয়াল, তোমার লীলা বোঝা দায় তব শক্তি ছাড়া সকলেই অসহায় হে দয়াময়, প্রার্থনা করি আমি মঙ্গল কর, হে স্বামী।।  

বিদ্যাসাগরের গল্প - কবিতা- ভূবন তার মাসির কান কামড়ে ছিল- তা থেকে কি শিক্ষা পাই?

ছবি
  ভূবনের গল্পটা মনে করাই সবারে, মাসির কান কামড়ে শাস্তি দেয় তারে। মাসির আশ্রয়ে ভূবন স্কুল থেকে ধীরে,   চুরি করে আনত বই, খাতা, কলম ঘরে।   বড় হয়ে ভূবন হলো দুর্দান্ত এক চোর, দিনে দিনে চুরি- টাকায় ভরে যায় ঘর। মাসির ইশারায় নীরব উসকানি চলে ভূবন ডাকাতি করছে অস্ত্র- বাহুবলে।       মাসির কী আনন্দ, গর্ব ও দম্ভের বাহার, ঘরে ঢোকে টাকা, নিজেকে ভাবে অবতার। গোলামদের কাজে ফাঁকি, মজায় যায় দিন, লক্ষ্মণরা মরে-খোঁজ রাখে না কোনোদিন।   মৃতসঞ্জীবনী রস আনার যার ছিল দায়, হনুমান খেয়ে খেয়ে পেটমোটা ঘুমায়। রাবণ সিংহাসনে দম্ভ- দর্পে ভরে থাকে,   রাম নাগপাশে বন্দি, ন্যায়ের কন্ঠ চাপে।   ভূবন যখন শাস্তির ভারে জর্জরিত হবে, মাসির কান দুটি কামড়ে রক্তাক্ত করবে। সেদিনটা দেখার জন্য সকলে মুখিয়ে থাকে- কবে ঝরবে পাপ- রক্ত অহংকার- কর্ণ হতে?

গৈরিক সন্ন্যাসী - কবিতা -বিবেক জাগ্রত কর। মন একাগ্র হলে সব সৎ কর্মে সফলতা আসবে।

ছবি
জীবনে শান্তি চাহ পৃথিবীর সকল মানব শান্তির পথ সহজে পাওয়া সত্যি অসম্ভব অশান্ত সমুদ্রে বিবেকানন্দ শান্ত এক দ্বীপ মনের গভিরে গিয়ে জ্বালান প্রজ্ঞা-প্রদীপ সর্বজীবে অদৃশ্য় থেকে ঈশ্বরের প্রকাশ জীব সেবা ভগবান সেবা, করে তমোনাশ কর্মযোগেই পাওয়া যায় জীবন্মুক্তির জ্ঞান কর্মই ধর্ম, অস্থিত্ব রক্ষার অমোঘ বিধান যাঁর বাণীতে চেতনা ও বিবেক হয় জাগ্রত মনের সুপ্ত ক্ষমতা হয়ে ওঠে প্রকাশিত মানসিক শক্তি সূর্যকিরণের মতো উজ্জ্বল কেন্দ্রীভূত করলে পাওয়া যায় অমিত বল মানব এক, তাতে নেই কোনোই বিভেদ সকলে ঈশ্বরের প্রকাশ, কিছু নেই ভেদ একগ্র মনে করলে কাজ পথের পাবে রেশ উপরে উঠতে হলে অহংকারকে কর শেষ হিংসা অন্যের চেয়ে নিজের করে ক্ষতি ঘৃণার চেয়ে প্রেম শক্তির বহু গুণ জ্যোতি অনাসক্ত হয়ে করলে কোনো কর্ম নিয়ত অসফল হলেও মনে থাকে না হতাশার ক্ষত তাঁর উদাত্ত আহ্বান আকাশে বাতাসে ভাসে সে বাণী ভারতের জল মাটি সদাই প্রকাশে “ হে বীর সাহস অবলম্বন কর , সদর্পে বল আমি ভারতবাসী , ভারতবাসী আমার ভাই ” । ।