হতাশার মুক্তি- কবিতা- বর্তমান হতাশার যুগ। অনেকে নিরাশার কবলে বিপর্যস্তা তাঁদের জন্য এই কবিত।
হতাশার মুক্তি শ্রীকৃষ্ণ দেখেন পার্থকে রথপরে বিষাদগ্রস্ত উপদেশ ছলে বলেন যে নিগুঢ় কথা অমৃত যুগে যুগে সে বাণী মানব জীবনের সঞ্জীবনী গীতা নামে সে দর্শন আলো করে ভারতভূমি ঐ যুগে হতাশার ছিল না কোনো প্রতিষেধক কাউন্সিলিং এখনো এই রোগে প্রয়োগ সার্থক বর্তমান শরীরধারী যত জীব পৃথিবীতে থাকে তারা কিন্তু কেহই ছিলেন না এই ধরিত্রীতে যাঁরা বর্তমান,কিছুকাল মধ্যে যাবে যমালয়ে প্রত্যেক জীব জীবিত থাকে নির্ধারিত কালে জন্মিলে মরতে হবে, মৃত্যুই অমোঘ বিধান ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি ও ধ্বংস অলঙ্ঘ সংবিধান জন্ম মৃত্যু সুখদুঃখ ধরায় এলে ভুগতে হবে কর্মবন্ধনের ফলভোগ হেথা সকলেই পাবে অনিত্য এ পৃথিবীতে চিরকাল রহে না সমান জ্ঞানীব্যক্তি এই পরিবর্ত্তনে হন না মুহ্যমান ঈশ্বর সর্বত্র, শরীরে ও বাহিরে কণায় প্রকাশ অতি সূক্ষ্ম চেতনকণার নাই উৎপত্তি বিনাশ শরীরের মধ্যে এ কণাই আত্মা নাম ধরে রয় আত্মা থাকে শক্তি রূপে এবং শাশ্বত অক্ষয় এ শক্তি অচ্ছেদ্য অদাহ্য অশোষ্য ও সনাতন এক পদার্থ থ...