পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতা "প্রগতি" এই কবিতায় নারীদের অবদমন থেকে জাগরণের কথা বলা হয়েছে।

ছবি
                        প্রগতি শুষ্ক বদন ছিন্ন বসন বইছে নীরব অধর ধরে তোমায় ছেড়ে পালিয়েছে বর্বর একলা ঘরে চক্ষু জল মোছো,ওঠ শিরদাঁড়া সোজা করে একলা হাতে অস্ত্র ধর দুর্গার মত ধরনীর পরে   ধর্ষিতা হয়ে লুকিয়ে আছ কেন ঘরের কোনে? চাবুক মার এই সমাজের গায়ে অম্লান বদনে অঙ্গ স্পর্শে ধর্ষ হলে পুরুষও ধর্ষিত অঙ্গনে   দিবালোকে ঘুরে বেড়ায়, শরম নেইকো মনে   অর্ধ-উলঙ্গ হয়ে বসে আছ কেন পথের ধারে চোখের জল মোছো, আগুন ধরাও মনের ঘরে সংঘবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ কর, ছিনিয়ে নাও অধিকারে তোমার জীবন তুমি বাঁচাও, চিনে নাও স্বার্থপরে   দুঃখ কেন হৃদয় গহীনে বঞ্চিত শিক্ষার সুযোগে শিক্ষা আসে মন থেকে,প্রজ্ঞার সঠিক প্রয়োগে প্রতিদিন স্ব-অধ্যয়ন করে একনিষ্ঠ মনোযোগে বিদ্যালয় ডিগ্রি দোকান, শিক্ষিত নিজ উদ্যোগে।।

"এসো ঈশ্বর" কবিতা- ৫ জন দরিদ্র মানুষকে অত্যাচার করে জ্যান্ত পুড়িয়ে দেওয়ার সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা।

ছবি
  মোরা দুই ভাই এক সাথে রই    কুঁড়ে ঘরে মাত্র দুটি ঘর খুব ভোরে উঠি জনমজুর খাটি ঘরে ফি রি সন্ধ্যের পর দিন চলে যায় দুঃখ কষ্টে হায় অ পকর্মে কভু না থাকি একদা প্রভাতে গ্রাম্য নেতা এসে বলে “শুনো হে দাশরথি তোমাদের তরে বহু ভেবে ওরে একটি সি দ্ধা ন্ত হয়েছে এতে লাভ তোর করবি না শোর তবে একটি শর্ত আছে পাবি আড়াই লাখ বাজাও না ঢাক আমি ব্যবস্থা সব করব ব্যাঙ্কে জমা হবে তোরা কুড়ি পাবে বা কি টাই আমি নেব ” শুনি তার কথা মনে পাই ব্যথা বলি “হুজুর এ কেমন কথা কেন্দ্র দেবে টাকা আমি রব ফাঁকা আপনি তুলবেন ভাতা এ দশ বছরে নিয়েছেন ভরে কোটি কোটি    টাকা কড়ি ঘরে ছিলেন গ রি র হলেন আমীর তবু লোভ না দেখি মরে এ বড় অন্যায় আমি অসহায়   তবু অসৎ কর্ম না হবে ” শুনি এই কথা মনে পা য় ব্যথা বলে “ঠিক আছে দেখা যাবে ” মাস তিন পরে সাঁঝে ঘরে ফিরে খাওয়া দেওয়া শেষ হলে ঘরে শিশু দুই মহিলাও তাই বিছানায় যাই সবে চলে গভীর রাতেতে ঘুম ভেঙ্গে যেতে দেখি লেলিহান অগ্নিশিখা মাটির দেওয়াল খড় দিয়ে চাল ধোঁয়ায় কিছু না যায় দেখা শুনি শিশু কান্না কি করি অজানা চোখে দেখি সরষে ফুল ঘরের কপাট    পুরানো...

গল্প "পঞ্চপাণ্ডবের কীর্তি" পাঁচজন কর্মঠ ছেলে থাকা সত্ত্বেও বিধবা মা এর কি করুন পরিণতি পড়ুন। সত্যি ঘটনা অবলম্বনে লেখা কাহিনী।

ছবি
  পঞ্চপাণ্ডবের কথা আমরা সকলে জানি । হস্তিনাপুরের রাজা পাণ্ডুর দুই স্ত্রী , কুন্তী ও মাদ্রী । কুন্তীর তিন ও মাদ্রীর দুই পুত্র । এই পাঁচজনকে পঞ্চপাণ্ডব বলা হয় । ঋষি কিন্দম অভিশাপ দেন যে পাণ্ডু স্ত্রী মিলন করলেই তাঁর মৃত্যু হবে । ঋষি অভিশাপে বিচলিত হয়ে প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য তিনি তাঁর রাজ্য   ধৃতরাষ্ট্র   এর হাতে দিয়ে বনে নির্বাসনে যান । সেখানে তিনি স্ত্রীদের সাথে তপস্বীর মত জীবনযাপন করতে থাকেন । একদিন বসন্তকালে মাদ্রীকে দেখে মোহিত হয়ে তিনি অভিশাপের কথা ভুলে যান । মোহের বশে মাদ্রীর সাথে মিলন করতে গিয়ে তার মৃত্যু হয় ।   মাদ্রী তাঁর পতির সাথে সহমরণে যান । কিন্তু কুন্তী সন্তানের লালন পালন করার জন্য   সহমরণে যাননি । কুন্তী তাদের নিয়ে হস্তিনাপুরে ফিরে আসেন । তিনি পূণ্যের চেয়ে সন্তান প্রতিপালন বড় কর্ত্তব্য্ মনে করেছিলন । পাণ্ডুর পাঁচ পুত্রগণের জননী রূপে তাদের স্নেহ আদরে বড় করে তোলেন । দুর্যোধনের অত্যাচার পাণ্ডবদের সঙ্গে নিজেও নির্যাতন সহ্য ...