একটি মেয়ে জন্ম হওয়ার তার ঠাকুদা তাকে জঙ্গলে ফেলে দিয়ে আসতে বলে ছিলেন সেই ফেলনা বড় হয়ে দেশের ও পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করেছিল পড়ুন। ফেলনা যেদিন ফেলনা জন্মালো একটি শাঁকও বাজলো না। ঠাকুরদা, প্রতাপ দে দেওয়ায় বসে হুঁকো মুখে নিয়ে ভুড় ভুড় শব্দে টানছিলেন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উঠে মিলিয়ে যাচ্ছিল। তাঁকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি কোনো এক দুশ্চিন্তায় আছেন। প্রতাপ শুধু নামেই নয় কাজেও তাঁর প্রতাপে পরিবারের কেউ টুঁ শব্দ করতে পারে না। বাড়ীর ভিতরে তাঁর বৌমার প্রথম সন্তান প্রসব হচ্ছে। ধায়ী এসেছে ও পাড়ার কিছু মহিলা ও আছে। প্রায় তিরিশ বছর আগের কথা। সেই সময় অজ পাড়াগ্রামে ধায়ীকে দিয়ে বাড়ীতেই প্রসব করানো হতো। তাতে দু চারজন যে মারা যেতেন না এমন নয়। সেদিন সকাল থেকে আকাশের মুখ ভারী হঠাৎ মেঘের আবরণ ভেদ করে সূর্যের রস্মি এসে পড়লো ওই অঞ্চলে। ...