পোস্টগুলি

ছবি
ঈশ্বর ঈশ্বর এক অজ্ঞাত অপূর্ব অনন্ত এক শক্তি I নিরাকার এবং অন্যান্য শক্তির তিনি সৃষ্টিকর্ত্রী II তাঁর রচিত এই ব্রহ্মান্ড একই নিয়মে সব বাঁধা I গ্রহ নক্ষত্র ও ধুমকেতু সকলই একসুত্রে গাঁথা II এ অনন্ত অসীম আশ্চর্য বিশ্ব যিনি গড়েছেন I তাঁর কাছে অসম্ভব কিছ নাই তিনি সব পারেন II এ শক্তির আদি অন্ত নেই, সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই I বহু শক্তির আবিষ্কার হলেও অনেক হয় নি II শক্তির অর্থ যার কাজ করার সামর্থ আছে I শক্তির বৈশিষ্ট সঙ্গে ঈশ্বরের বেশ মিল আছে II ঈশ্বর সর্বশ্রেষ্ট মূল নাটকিয় ও অদ্ভুত শক্তি I এই শক্তিই সকল কাজের প্রধান একক ভিত্তি II আবিষ্কৃত সকল শক্তির নির্দিষ্ট কিছু কাজ থাকে I এই ব্রহ্মান্ডের তৈরীতে সৃষ্টিকর্তার ও দাবি রাখে II বিভিন্ন শক্তি এই ব্রহ্মান্ডে হয়েছে আবিষ্কার I শক্তি না থাকলে কোনো বস্তু নিত না আকার II ব্রহ্মান্ডে শক্তি ও পদার্থের যোগফল এক থাকে I শক্তি পদার্থে, পদার্থ শক্তিতে পালটাতে থাকে II    
ছবি
পরকীয়া প্রেমের ফাঁদ পাতা আছে এ ভূবনে স্তব্ধ হয় না কোনো বাঁধনে বা শাসনে ঈশ্বরের সকল সৃষ্টিই প্রেমময় মানুষের প্রেম বিশ্ব করেছে জয় প্রেম মানুষকে দেয় মানষিক ঐশ্বর্য প্রেম প্রীতি ভালোবাসাই আনে মাধুর্য সকলেই শৃন্যতার মধ্যে খোঁজে পূর্ণতা প্রেমই এনে দেয় সেই অনাস্বাদিত মধুরতা পালটে দেয় মানুষের স্বভাব আচরণ সৃজনশীলতা কর্মক্ষমতা হয় সঞ্চরণ প্রেম শ্বাশ্বত, চিরন্তন, মানে না বাধা, বৈষম্য চুম্বকের মতো আকর্ষক নেশার মতো অদম্য আদম ও ইভ নিষিদ্ধ ফল যবে খেয়েছে সেই হতে কালের স্রোতে প্রেম ভেসে চলছে প্রেম ভোগে পরিনত হলে আসে অভিশাপ এই পাপেই বারে বারে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের উত্তাপ কত প্রান দিল বলিদান যুগে যুগে প্রেমের যূপকাষ্ঠে কত প্রেমিকের জ্বালা যন্ত্রনা লেখা থাকে তাদের অদৃষ্টে কামনার আগুনে পুড়ে মরছে শুদ্ধ প্রেমের ধুপ মদনের বানে কাম প্রথমে ধরে প্রেমের রূপ কাম তো প্রেম নয় বৈষ্ণব সাহিত্যে যায় দেখা এই সাহিত্যে প্রেম পাঁচ প্রকারের ও আছে এর শাখা সান্ত, দাস্য, বাৎসল্য, মধুর ও সখ্য পাঁচের মধ্যে ‘মধুর’ প্রেম শ্রেষ্ঠ ও মুখ্য এই প্রেমেই আছে আদি রসের আর্কষন চরমানন্দ অবস্থার অনাস্বাদিত আস্বাদন যৌবনে এ প্রেম আসে নি জীব...
ছবি
  গৌর ভক্ত আমাদের গ্রামে রামদাস নামে ছিলেন এক বৈষ্ণব , সাধন ভজনে হরি সংকীর্ত্তনে বিলান তিনি সৌরভ I অমায়িক তিনি অতি জ্ঞানী গুণী মনে নাই অহঙ্কার , অতি ভোরে উঠে স্নান করি ঘাটে গাঁথেন ফুলের হার I অর্ধাঙ্গিনী তাঁর ভোগ রাধিবার করে যান আয়োজন, দোঁহে মিলে তারা অন্ন পসরা পুজো হয় সমাপন I প্রসাদের তরে যারা আসে ঘরে বিমুখ কেহ না হন , অতি ভক্তি ভরে প্রসাদ বিতরে ধন্য ধন্য সবে কন I সন্ধ্যার সময় সংকীর্ত্তন হয় শ্রীমৎভাগবৎ পাঠ , ধর্ম প্রাণ জন সবে জড়ো হন গৃহ হয় জমজমাট I সারা দেশ হতে নিমন্ত্রন আসে নিমাইকে নিয়ে যান , হরি মহোৎসব দেন দোঁহে যোগ চলে মহাধুমধাম I মনে নেই দ্বেষ, হিংসা ঈর্ষা ক্লেশ সকলে হরির অংশ , লোভ নেই মনে ইচ্ছা নেই ধনে ধর্মে হন না ভ্রংশ I অতি উপকারী নেই বাহাদুরি করুণার অবতার , ষড়রিপু   জয়ী   অতীব বিনয়ী করেন মিত আহার I সর্ব জীবে দয়া   মোহ হীন কায়া সম্মানের নেই আশা , তাঁরা মিলে দোঁহে পুত্রবৎ স্নেহে গৌরকে সেবার নেশা I মধু আচরন মধুর ভাষন মনে নেই কোনো পাপ , কিবা যে পেলেন কিবা না পেলেন নেই কোনো সন্তাপ I হরি শরণাগত থকেন নিয়ত সত্য পথেই চলেন , ...
ছবি
                   অধর্ম মহাভারতের কথা অমৃত সমান যুগে যুগে ঘটছে তার প্রতিফলন মহাভারতে শিক্ষা “যথা ধর্ম তথা জয়” অধর্মীদের নিশ্চিত হবেই পরাজয় মহাভারতে যেসব ঘটনা আছে বর্ণন সে ঘটনা কালে কালে হয় পুনর্ঘটন ঈর্ষান্বিত যুবরাজ যায় অধর্মের পথে পান্ডব বিনাশ হেতু গেলেন বিপথে দুর্যোধনের বিষে ভীম অজ্ঞান হলে নদীর জলে তাকে দেওয়া হয় ফেলে নাগেদের দ্বারা উদ্ধার হওয়ার পর তাদের পানীয় খেয়ে হলেন শক্তিধর জতুগৃহে পান্ডবদের হত্যার তরে দলদাস পুরোচন আগুন দেয় ঘরে বিদুরের সহায়তায় তারা রক্ষা পায় যুধিষ্ঠির আমন্ত্রিত হন পাশা খেলায় ধূর্ত শকুনির ষড়যন্ত্রে তিনি হারেন যুবরাজ দুঃশসানে আদেশ করেন চুলের মুঠি ধরে দ্রোপদীকে আনেন নারীর অপমান করে তার বস্ত্রহরনে যুদ্ধতে কৌরবদল জালিয়াতি ধরে নানা বেআইনি অস্ত্র ব্যবহার করে রেহাই দেয়নি শিশু এবং মহিলাদের সদর্পে যুদ্ধের রীতি নীতি ভঙ্গ করে সপ্তরথী ঘিরে ধরে অভিমন্যু মারে রাতের অন্ধাকারে হত্যা করে তাদের কৌশলে যুদ্ধ জয়ের চেষ্টা করে যায় প্রতিপক্ষকে স্বীকৃতি দ...
ছবি
                  জ্ঞানালোক      জ্ঞান জগতে এক রহস্যময় বিষয় কতকিছু জানার আছে জানার নেই সময় জ্ঞানের সাগর থেকে দুরূহ রত্ন তুলে আনা সাগরে ভুবা আর মাণিক্য তোলা একই না পুস্তকে লেখা বিদ্যা আর পরের হাতে সম্পদ সময়ে কাজে লাগে না দুইটিই সমান আপদ অনেক উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি আছেন এ ধরাতে কর্ণের মতো বিদ্যা পারেন না প্রয়োগ করতে   বিদ্যার অপ্রয়োগ করলে কিবাই তার পূণ্য বিদ্যা পেটে গজ গজ কিন্তু প্রজ্ঞা তার শূণ্য সেই বিদ্যা অন্ধের সামনে আয়নার সমান প্রজ্ঞা ব্যতিত বিদ্যা কভু করে না কিছু দান এক কচ্ছপের জ্ঞান লাভ করার   ইচ্ছা হলো সে পৃথিবীর সমস্ত জ্ঞান সংগ্রহ করে নিল জ্ঞান এক ফাঁকা লাউরের মধ্যে করলো জমা   তার মাথার মধ্যে এক দুশ্চিন্তা বাঁধল দানা সে কতনা কষ্ট করে জ্ঞান অর্জন করলো যদি চুরি হয়ে যায় তার এই সম্পদ অমূল্য   লাউকে বড়গাছের মগডালে রাখবে ভাবলো সে লাউকে পেটে বেঁধে গাছে উঠতে গেল পেটে লাউ থাকায় কচ্ছপ নীচে গেল পড়ে সমস্ত জ্ঞান ছড়িয়ে গেল কচ্ছপ গেল মরে কচ্ছপের বিদ্যা থাকলেও   ছি...