গৌর ভক্ত
সাধন ভজনে হরি সংকীর্ত্তনে বিলান তিনি
সৌরভ I
অমায়িক তিনি অতি জ্ঞানী গুণী মনে নাই
অহঙ্কার ,
অতি ভোরে উঠে স্নান করি ঘাটে গাঁথেন
ফুলের হার I
অর্ধাঙ্গিনী তাঁর ভোগ রাধিবার করে যান
আয়োজন,
দোঁহে মিলে তারা অন্ন পসরা পুজো হয়
সমাপন I
প্রসাদের তরে যারা আসে ঘরে বিমুখ কেহ
না হন ,
অতি ভক্তি ভরে প্রসাদ বিতরে ধন্য ধন্য
সবে কন I
সন্ধ্যার সময় সংকীর্ত্তন হয় শ্রীমৎভাগবৎ
পাঠ ,
ধর্ম প্রাণ জন সবে জড়ো হন গৃহ হয় জমজমাট
I
সারা দেশ হতে নিমন্ত্রন আসে নিমাইকে
নিয়ে যান ,
হরি মহোৎসব দেন দোঁহে যোগ চলে মহাধুমধাম
I
মনে নেই দ্বেষ, হিংসা ঈর্ষা ক্লেশ সকলে
হরির অংশ ,
লোভ নেই মনে ইচ্ছা নেই ধনে ধর্মে হন
না ভ্রংশ I
অতি উপকারী নেই বাহাদুরি করুণার অবতার
,
ষড়রিপু জয়ী অতীব
বিনয়ী করেন মিত আহার I
সর্ব জীবে দয়া মোহ হীন কায়া সম্মানের নেই আশা ,
তাঁরা মিলে দোঁহে পুত্রবৎ স্নেহে গৌরকে
সেবার নেশা I
মধু আচরন মধুর ভাষন মনে নেই কোনো পাপ
,
কিবা যে পেলেন কিবা না পেলেন নেই কোনো
সন্তাপ I
হরি শরণাগত থকেন নিয়ত সত্য পথেই চলেন
,
সাধন পুজন চলে আরাধন নিজ কার্যেই থকেন
I
গ্রাম জমিদার করেন বিচার পরীক্ষা করিবারে
,
চুপিচুপি গিয়ে কিছু টাকা নিয়ে রেখে
এলেন দ্বারে I
খুব ভোরবেলা দ্বার হলে খোলা টাকাগুলো
পড়ে আছে ,
এ টাকায় তাঁর নেই অধিকার দেবেন জমিদার
কাছে I
মনেতে বিচার আসে বার বার এই টাকা তাঁর
নয় ,
যান তাড়াতাড়ী জমিদার বাড়ী জোড় হাতে
তিনি কন I
এই টাকাগুলো দ্বারে পড়েছিল আপনার হাতে
দিলাম ,
জমিদার শুনে আনন্দিত মনে বলেন “ মুগ্ধ
হলাম” ।।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন